মেনু নির্বাচন করুন

কৃষি ইনস্টিউট

 বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনিস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর থেকে দক্ষ প্রশিক্ষক, কৃষি উন্নয়ন ও উদ্ভাবনসহ কৃষি ক্ষেত্রে প্রচুর অবদান রেখে আসছে। পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা থাকায় এ ইনিস্টিটিউটটিকে নোয়াখালী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি। 
জাতীয় পর্যায়ে কৃষি উন্নয়ণের লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে বেগমগঞ্জ মৌজায় ৫১.৯৮ একর জায়গায় ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষাক্রম দিয়ে যাত্রা শুরু করে বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। প্রশাসনিক, একাডেমিক, আবািসক ভবন ও খেলার মাঠসহ ১০ একর, ৪ একরের দুইটি পুকুর, ১৭ একর ফসলি জমি, ১ একর সব্জি বাগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। বিশাল এ প্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারী ওয়াল না থাকায় এর আয়তন সম্পর্কে সাধারণ মানুষ অবগত নয়।
এখানে শিক্ষক কর্মচারীর পদ ৪৮টি, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদসহ ১৫টি পদ শূন্য রয়েছে। ৫ জন মূখ্য প্রশিক্ষক পদ থাকলেও রয়েছে ৪ জন। তন্মধ্যে একজন অধ্যক্ষের দায়িত্বে রয়েছেন। প্রশিক্ষক ৮ জনের মধ্যে ৫ জন, কর্মচারী ২৯ জনের মধ্যে ১৮ জন কর্মরত রয়েছে।
প্রশিক্ষণ কাজের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ফার্ম কার্যক্রম থাকলেও এ পদটি বিলুপ্ত । এ প্রতিষ্ঠানকে বর্তমানে আধুনিক শিক্ষা ও উচ্চতর প্রশিক্ষকদের কৃষি বিষয়ক গবেষণার উপযোগী করে তোলা সম্ভব। নোয়াখালীর দক্ষিণাঞ্চলে প্রতিবছর যে পরিমান ভূমি নদীগর্ভ থেকে জেগে উঠছে এর সঠিক ব্যবহারের জন্য কৃষি গবেষণা প্রয়োজন। ফলে গবেষণা কাজে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকল্প নাই।
নোয়াখালীর উন্নয়নে বর্তমান সরকার যে অবদান রেখেছে তার সাথে বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষন ইনস্টিটিউটকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা হলে আরেকটি নতুন অধ্যায় যুক্ত হবে বলে নোয়াখালীবাসীর প্রত্যাশা। যেমনিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জেনারেল হাসপাতাল, পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, চিকিৎসক বিদ্যালয় (ম্যাটস), কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও মুছাপুর রেগুলেটার । 
উল্লেখ্য, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়টি ৮৬ একর ভূমি ও পার্শ্ববর্তী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়টি ৫০ একর ভূমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । একইভাবে ৫১.৯৮ একর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করলে দেশের কৃষি ক্ষেত্রে অবদান রাখতে সক্ষম হবে। অপরদিকে বর্তমান স্থানের পরিবর্তে নোয়াখালীর দক্ষিনাঞ্চলে সরকারের হাজার হাজার একর খাস ভূমি রয়েছে। এছাড়া জেলা সদরের দক্ষিনে বিশাল অঞ্চলে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। ফলে এখানেও কৃষি বিশ^বিদ্যালয় স্থানান্তর করা যেতে পারে।আর এটা বাস্তিবায়িত হলে এতদ্বঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। এখন শুধু প্রয়োজন সরকারের সদিচ্ছা এবং এর দ্রæত বাস্তবায়ন।


Share with :

Facebook Twitter